বিদেশ ভ্রমণ গাইডলাইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিদেশ ভ্রমণ গাইডলাইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সিঙ্গাপুর ভিসা চেক পদ্ধতি স্টেপ বাই স্টেপ

আমাদের দেশ হতে প্রতিদিন অসংখ্য লোক বিদেশে ওয়ার্কপারমিট নিয়ে চাকুরিতে যাচ্ছে। যারা বিদেশে চাকুরী নিয়ে যাচ্ছেন তার বিরাট একটা অংশ গ্রামের। গ্রামের নিরিহ মানুষের প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা কম থাকায় সুযোগ নিচ্ছে আমাদের দেশেরই কিছু অসাধু আদম ব্যবসায়ী। এই দু’দিন আগের কথা আমার পাশের বাড়ির একটা ছেলে নিজের ভিটে বিক্রি করে দালালের হাতে তুলে দিয়ে সাড়ে পাচলক্ষ টাকা সাইপ্রাস নিবে বলে । বেচারাকে মালেশিয়া নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। এমনি করে প্রতিদিন কত মা্নুষযে প্রতারণার শিকার হচ্ছে তার কোন হিসাব নেই। যাক আজকের পর্বে ষ্টেপ বাই ষ্টেপ আমরা দেখব কিভাবে সিঙ্গাপুরের ওয়ার্কমিট জাল কিংবা আসল।
প্রথমেই আপনি এই লিন্কে ক্লিক করুন।

http://i.imgur.com/sk2zx.jpg
পেজটি ওপেন হলে মার্ক করা স্থানে I Agree তে ক্লিক করুন। নতুন পেজ আসবে।
http://i.imgur.com/hGC9k.jpg
এই পেজের বামদিকে দেখুন Work permit validity/application status যা ছবিতে মার্ক করে দেখানো হয়েছে। আরেকটি পেজে রি-ডাইরেক্ট হবে।
http://i.imgur.com/7kRyi.jpg
এখানে আপনি passport সিলেক্ট করে পাসপোর্ট নাম্বার ও পাসপোর্ট হোল্ডারের নাম লিখে Next চাপুন। নতুন পেজে রি-ডাইরেক্ট হবে।
http://i.imgur.com/depTJ.jpg
এখানে আপনাকে ৪টি অপশনের যে কোন একটি বেছে নিয়ে ফিলাপ করতে হবে। আপনি সবচেয়ে সহজ অপশনটাই বেছে নিন। আপনি ৩নম্বর অপশনটা বেছে নিয়ে ফিলাপ করে সাবমিট করুন। পেজ রি-ডাইরেক্ট হয়ে আপনার রেজাল্ট দেখাবে।
http://i.imgur.com/EBenh.jpg

বাহরাইনে ভিসা চেক পদ্ধতি স্টেপ বাই স্টেপ

বাহরাইনে ভিসা চেকের জন্য প্রথমেই আপনাকে এই লিঙ্কে >> http://portal.lmra.bh/english/
ক্লিক করে অথবা আপনার ব্রাউজারে টাইপ করতে পারেন www.lmra.bh যেতে হবে ।
এখানে আপনারা নিম্নের ছবির মত অপশন গুলো দেখতে পারবেন ----
https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash4/425047_117258551735452_100003539229209_64167_616538398_n.jpg
https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash4/s720x720/430104_117258691735438_100003539229209_64169_880755955_n.jpg
উপরক্ত দুইটি অপশন হাইলাইট করা আছে । যেহেতু আমরা ভিসা চেক করব তাই প্রথম অপশন এ ক্লিক করার পর পাশের ছবিটির উপর ক্লিক করুন তাহলে নিম্নের ছবির মত পোর্টাল ওপেন হবে । দ্বিতীয়টি শুধু মাত্র যারা এখান থেকে ভিসা বের করবে তাদের জন্য । এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই এখানকার সিটিজেন হতে হবে (ওটা বিস্তারিত পরে পোস্টামু ) -
https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash4/s720x720/407116_117276678400306_100003539229209_64320_976839587_n.jpg
উপরোক্ত ছবিতে আপনারা চারটি অপশন দেখতে পাবেন
১ - CPR - এই খানে আপনার আইডি কার্ডে থাকা ৯ টি পার্সোনাল নাম্বারটি লিখতে হবে যেটা আপনি এই দেশে না আসা প্রযন্ত সম্বভ না । উটা টাইপ করলে আপনি নিম্নের ছবির মত দেখতে পারবেন । যেখানে আপনার ভিসা সঠিক আছে কি না এবং আপনার নামে কোন কমপ্লেইন আছে কিনা দেখতে পারবেন । নিম্নের ছবিটি দেখুন এইটার সব কিছু ঠিক আছে এজন্য টিক মার্ক দেওয়া আছে ।
https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash4/s720x720/401181_117276715066969_100003539229209_64321_1291432956_n.jpg
২- Work Visa - এই অপশনটিতে ভিসা হওয়ার পর রেজিঃ নম্বর যেটা আপনার মালিকের অথবা কোম্পানির C.R নাম্বার এর সাথে কানেক্ট থাকে । বলতে পারনে কাজের পারমিট
https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-snc7/s720x720/431262_117258745068766_100003539229209_64171_1912416558_n.jpg
৩- Application - এইটা মোস্ট অফ পার্ট আপনাদের জন্য যারা দেশে থেকে বাহরাইনে ভিসার জন্য আবেদন করে থাকেন । একটু খেয়াল করবেন প্লিজ -
আপনারা যারা দেশে থেকে টাকা জমা দেন তাদের বলছি - অনেক সময় দালালরা আপনাকে বলবে ভিসা রেডি আপনি রেডি হোন তারাতরি টাকা জমা দেন , সেই সময় আপনি উনাকে আপনার আইডি নাম্বার দেবার জন্য বলবেন কারন একমাত্র এই আইডিতেই বুঝা যায় যে আপনার ভিসা জমা হয়েছে কিনা কারন অনেক ক্ষেত্রে এখানে আসার পর এয়ারপোর্ট থেকেই ফেরত দেয়া হয়
নিচের ছবিটি দেখুন - নিচে লক্ষ করবেন ফার্স্ট পার্ট আপনার জরুরী কাগজ গুলো জমা হবার পর বুঝা যাচ্ছে যে এইটা LMRA রিসিভ করেছে । ২য় স্টেপে CIO এর কাছে যাবে এবং ৩য় স্টেপে GDNPR .
সব শেষে EMPLOYER এর কাছে যাবার পর মালিক/কোম্পানি পক্ষকে একটা নোটিশ দেওয়া হবে যে আপনার ভিসা রেডি আপনি পে করে ভিসা নিতে পারেন । কিন্তু এই ক্ষেত্রে দেখা যায় কিছু দালাল চক্র ভিসার কাগজ জমা দিয়েই বলে ভিসা রেডি টাকা জমা দেন এবং শেষমেশ দেখা যায় আপনার ভিসা তারা উঠাইনি এবং LMRA আপনার ভিসাটি ক্যন্সেল করে দিয়েছে -
https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-snc7/s720x720/403354_117258785068762_100003539229209_64173_1277958704_n.jpg
উপরোক্ত চিত্রটিতে ভিসাটি ক্যন্সেল করে দেওয়া হয়েছে ।
৪- Passport -এইটা আর বলার কিছুই নাই এখানে আপনি আপনার পাসপোর্ট নাম্বার এবং কান্ট্রি সিলেক্ট করে ও চেক করতে পারবেন ।
https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-snc7/429167_117306985063942_100003539229209_64457_1282980054_n.jpg

কিছু বাড়তি টিপস ---
আপনার খেয়াল করবেন যারা এখানে থাকেন তার শুধু CPR এবং পাসপোর্ট দিয়েই সব সময় চেক করেন কিন্তু জানেন না কবে আপনার ভিসা ক্যন্সেল হবে কারন ক্যন্সেল হবার পূর্বে জানা থাকলে আপনি আপনার ভিসা রেনু (Renew) করার সুযোগ থাকে ।
তারা প্রথমে নিম্নের ছবিটি দেখেন এখানে আপনি আপনার CPR নাম্বারটি দিন এবং পাশের ঘরে আপনার বাংলাদেশের পাসপোর্ট মেয়াদ শেষ হবার তারিখ দিন -
https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-snc7/s720x720/395800_117311071730200_100003539229209_64468_1561285308_n.jpg
তারপর একটা নিম্নের ছবির মত একটা পেজ ওপেন হবে তা থেকে আপনি নিজেই জানতে পারবেন আপনার বাহরাইনে ভিসার মেয়াদ কবে শেষ হবে -
 
https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash4/430764_117276648400309_100003539229209_64318_604130449_n.jpg  যখন নাম্বারটা দেবেন তখন সব কিছুই জানতে পারবেন যেমন ধরেন নিম্নের ছবিতে -
https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash4/417005_117867661674541_100003539229209_66629_292884889_n.jpg
এখানে ভিসাটি হয়ে গেছে এবং এই Employer টি অলরেডি চলে এসেছে ইমিগ্রেসন পার হয়ে । অনেক সময় Valid Employed Visa is Prosseing  লেখা থাকবে , তখন বুঝতে হবে লোকটির ভিসা রেডি হয়ে গেছে এখন শুধু লাস্ট স্টেপ ।
নিচের আরেকটা চিত্র দেখেন
https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash4/s720x720/402752_117867671674540_100003539229209_66630_119417496_n.jpg
উপরোক্ত ভিসাটি GDNPR প্রযন্ত এসেছে এবং দেখুন ম্যসেজ কি আসছে  wink
https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-snc7/s720x720/418170_117867698341204_100003539229209_66631_1666022687_n.jpg
এই ভিসাটি লোকটির মালিকের হাতে চলে গেছে অতএব লোকটিকে যত দ্রুত সম্বভ চলে আসতে হবে বাহরাইনে  smile
আসল কথা Application ID  দ্বারা আপনি দেশে থেকেই সব কিছু জানতে পারবেন যে আপনার ভিসাটি কতটুকু অগ্রসর হল এবং আপনার ভিসাটি দালাল টাকা পে করে উঠাইছে কি না ইত্যাদি ইত্যাদি

ট্রেনে ইউরোপ ভ্রমন টিপস



যারা ইওরোপ ঘুরতে যাবেন তাদের জন্য অল্প কিছু টিপস।

১, ইওরোপে তিন ধরনের ট্রেন আছে। হাইস্পিড, ইন্টার সিটি আর লোকাল। যেমন রোম-মিউনিক ভাড়া যথাক্রমে ১২০, ৮০ এবং ২০ ইওরো। মুল তফাত সময়ে।TGV, Thalys, Eurostar, Eurostar Italia, AVE হল নামকরা রেল। তবে ইটালীর ট্রেন গুলো একটু পুরানো মনে হ্য়।

২, পুরো ইওরোপ ঘুরতে চাইলে রেলে র পাস কেনা অনেক ইকনমিকাল। আমি প্রথম শ্রেনীর গ্লোবাল পাস কিনেছি ১৫ দনের জন্য ৫৫০ ইওরো দিয়ে। যেসব জা্যগায় গিয়েছি তাতে ন্যুনতম ২০০০ ইওরো লাগতো।

৩, তিন ধরনের পাস আছে।
ক। গ্লোবাল পাস - ২২ টা দেশ /১৫-৯০ দিনের জন্য- ৩৫০ ইওরো থেকে শুরু
খ। সিলেক্ট পাস - ৩-৫ টা দেশ /০৫-১৫ দিনের জন্য- ২২৫ ইওরো থেকে শুরু
গ । রিজিওনাল পাস- ২ টা দেশ /০৪-১০ দিনের জন্য- ১২৫ ইওরো থেকে শুরু

৪, যে কোন স্টেশনে গিয়ে রেলপাসটি স্ট্যাম্প লাগিয়ে এক্টিভেট করতে হবে।

৫, সব হাইস্পিড ট্রেন আর সকল নাইট ট্রেনের জন্য রিজারভেশন করতে হবে। এজন্য যা্ত্রা শুরুর আগেই রেলপাস দেখিয়ে বোর্ডিং পাস নিতে হবে। এতে আরও ৩-১০ ইওরো লাগবে।

৬, ট্রেনের শিডিউল ভাল করে পড়ুন। কানেক্টিং ট্রেন কোথায় তা ভাল করে দেখে নিন।

৭, ট্রেনে উঠার আগে আপনার বোর্ডিং পাস স্টেশনে টিকিট পান্চ করতে হবে।ট্রেন চলাকালীন টিকিট/পাস চেক হয়। অনেক নাইট ট্রেনে পাসপোর্ট নিয়ে যায় এবং পরদিন ভোরে ফেরত দেয়

৮, ট্রেন ঠিক টাইমে ছাড়ে।গাইড দেখে জেনে নিন কোন ট্রেন কখন কোন প্ল্যাটফরম থেকে ছাড়বে। ছাড়ার মিনিটখানেক আগে দরজা বন্ধ হয়। সুতরাং সাবধান

৯, যেখানে সেখানে সিগারেট ধরালে খবর আছে।

১০, ট্রেনে সব ধরনের সুবিধা আছে। টয়লেটের যাবতিয় কাজ সারুন।

১১, প্রায় সব হাইস্পিড ট্রেনে ওয়াই-ফাই কানেকশন আছে। সাথে যেকোন ব্যাটরী চার্জের সুবিধা।

১২, প্রতিটা স্টেশনে লাগেজ রাখার সুব্যবস্থা আছে। ভাড়া ৩-৯ ইওরো। তবে সাবধান একবার লক করলে পরে একবারই ওপেন করতে পারবেন।আমি একবার গচ্চা দিয়েছি।

১৩, প্রতিটা স্টেশনে ওয়াশরুম ফ্যাসিলিটি আছে। খরচ ১-২ ইওরো।

১৪, প্রতিটা স্টেশনে খাবারের দোকান আছে। একটু দুরে গেলে দামে কম পাবেন।

১৫, আমার দেখা ভাল শহর হল সেভিয়া, মাদ্রিদ, বারসিলোনা,রোম, ভেনিস, মিলান,পিসা, ফ্লোরেন্স,মিউনিখ, ভিয়েনা, যুরিখ, প্যারিস।

বিনা ভিসাতে বিদেশ ভ্রমন আপডেটেড - on arrival visa


বিশ্বের এমন কিছু দেশ আছে যেখানে যেতে ভিসার প্রয়োজন নেই, শুধু বাংলাদেশের পাসপোর্ট থাকলেই হবে। আর এমন কিছু দেশ আছে যেখানে ল্যান্ড করার পরে এয়ারপোর্ট থেকে (on arrival) ভিসা পাওয়া যায়, তবে কোন কোন দেশের ক্ষেত্রে অবশ্য ফি দিতে হয়।

ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে ভুটান (যত দিন ইচ্ছা), শ্রীলংকা (৩০ দিন), দ: কোরিয়া (৯০ দিন), আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কেনিয়া (৩ মাস), মালাউই (৯০ দিন), সেশেল (১ মাস), আমেরিকা মাহাদেশের মধ্যে ডোমিনিকা (২১ দিন), হাইতি (৩ মাস), গ্রানাডা (৩ মাস), সেন্ট কিট্‌স এ্যান্ড নেভিস (৩ মাস), সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস), টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন), মন্টসের্রাট (৩ মাস), ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন), ওশেনিয়া মাহাদেশের মধ্যে ফিজি (৬ মাস), কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন), নাউরু (৩০ দিন), পালাউ (৩০ দিন), সামোয়া (৬০ দিন), টুভালু (১ মাস), নুউ (৩০ দিন), ভানুয়াটু (৩০ দিন) এবং মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন) অন্যতম।
এছাড়াও যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে এশিয়ার মধ্যে আজারবাইজান (৩০ দিন, ফি ১০০ ডলার), জর্জিয়া (৩ মাস), লাউস (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার), মালদ্বীপ(৩০ দিন), মাকাউ (৩০ দিন), নেপাল (৬০ দিন, ফি ৩০ ডলার), সিরিয়া (১৫ দিন), পূর্ব তিমুর (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার), আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে বুরুন্ডি, কেপ ভার্দ, কোমোরোস, জিবুতি (১ মাস, ফি ৫০০ জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক), মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ), মোজাম্বিক (৩০ দিন, ফি ২৫ ডলার), টোগো (৭ দিন, ফি ৩৫,০০০ এক্সডিএফ) এবং উগান্ডা (৩ মাস, ফি ৩০ ডলার)।
ফ্লাইট, টিকিট, হোটেল ইত্যাদি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাবে http://travel.yahoo.com
http://www.airfare.com
http://www.farecompare.com
এসব ওয়েবসাইট থেকে।
তবে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট রওনা হবার সময় কিছু সুযোগ সন্ধানী অফিসার ভিসা নেই বা আপনার সমস্যা হবে এই মর্মে হয়রানি করতে পারে টু-পাই কামানোর জন্য। কেউ এসব দেশে বেড়াতে যেতে চাইলে টিকিট কেনার সময় আরো তথ্য জেনে নিতে পারেন।


বিনা ভিসাতে বিদেশ ভ্রমন আপডেটেড ইনফো

বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই বাংলাদেশ পাসপোর্টধারীদের আগে থেকে ভিসা নিয়ে যেতে হয়। Visa on Arrival এখন বাংলাদেশীদের দেয়া হয়না বললেই চলে।

ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগোকে ওখানেও অন এরাইভাল পাওয়া যাবে।

উগান্ডা (৫০ ডলার, ৩০/৯০ দিন, ভিসা অফিসারের মর্জির উপর)

মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ)

মাকাউ ও আজারবাইজান এ On Arrival Visa দিবেনা।

ভূটান ভ্রমন গাইডলাইন








সবচে' বেশি অবাক হয়েছি (Phuentsholing) ফুয়েনশোলিং(ভূটান)- জয়গাঁ(ইন্ডিয়া) এর ইন্ডিয়া-ভূটান বর্ডার দেখে। বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্তে কত কড়াকড়ি, কত রকম চেকিং, ফরমালিটিস। ভূটানের সাথে তার কিছুই নেই। ইউরোপের মতো। আমরা ডিনার শেষে হাঁটা-হাটি করার জন্য গেছি ভারতের ভেতর। কেনা-কাটার জন্য একবার ভারতে ঢুকি, আরেকবার ভূটানে, কেউ কিচ্ছু জিজ্ঞেসও করেনা। তবে ভূটানের বড় বড় শহরের প্রবেশ মুখে ইমিগ্রেশন চেকিং হয়। পাসপোর্ট দেখাতে হয়। কিছুটা উদ্ভট সিস্টেম মনে হয়েছে আমার কাছে।

অবিশ্বাস্য দাম সব কিছুর। কোন কিছুই ঐ দাম দিয়ে কেনার মতো না। দাম যে বেশি সেটা ওরা নিজেরাও মানে।

ওদের নিজেদের প্রডাক্ট নেই বললেই চলে। প্রায় সবই ইন্ডিয়ান, বাংলাদেশি প্রডাক্টও প্রচুর। আর আছে চাইনিজ আর থাইল্যান্ডের পন্য। অত্যন্ত ব্যয়বহুল শহর থিম্পু। খুব সাধারন মধ্যবিত্ত জীবন-যাপনের জন্য কমপক্ষে ২০ হাজার রুপি মতো দরকার হয়, বাংলাদেশি প্রায় ৩৩ হাজার টাকার সমমান। ভূটানের মুদ্রার নাম Ngultrum। ভারতীয় রুপীর ১০০% সমমূল্য। ভারতীয় মুদ্রা সব জায়গাতেই সমান চলে, আলাদা করে Ngultrum কিনতে হয়না।



ভিসা


ভারত-ভূটানের বর্ডার ওপেন তাই তাদের ভিসা লাগে না। ভিসা লাগেনা ভুটানের, তবে এন্ট্রি পারমিট নিতে হয় অবশ্যই, ওটাই ভিসা।
এখানে বলে রাখা ভালো এয়ারপোর্টে অন এ্যরাইভাল যে ভিসা দেয় তা শুধু ভুটানের তিনটি শহর ফুয়েন্টশোলিং, থিম্পু আর পারো র জন্য।
অন্য জায়গায় যেতে হলে তার জন্য আলাদা করে ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট থেকে ভিসা নিতে হয়।

নিজেরা গেলে খরচ অনেক কম পড়বে। প্লেনে যাওয়াই ভালো, যাওয়া-আসার ভাড়া ট্যাক্স সহ ১৬,৫০০ টাকা ড্রুক এয়ারে। ওখানে কেনাকাটা করতে যাবার কোন কারন নেই। অসম্ভব বেশি সব কিছুর দাম।

ইন্ডিয়ার ট্রান্জিট ভিসা বা মাল্টিপল এ্যান্ট্রি ভিসা না থাকলে একটু ঝামেলা করবে। তবে পাসপোর্ট না দেখিয়ে যেতে পারবেন। ভুটানে ঢোকা কোন ব্যাপারইনা।
ভারত এবং বাংলাদেশিদের জন্য ভূটানে ঢুকতে কোন টাকা লাগেনা। পশ্চিমা দেশগুলোর নাগরিকদেরকে প্রতিদিনের জন্য ২০০ ডলার করে ফী দেয়া লাগে ভূটান সরকারকে!

প্রশ্ন: ভাই ,আমি ভুটান যেতে চাই ,কিণ্তু ,ভিসা ,৭ দিনের জন্য কেমন খরচ হবে,যেমন হোটেল(সস্তা),Bangladesh থেকে কিভাবে টাকা নিয়ে যাবো,নিরাপওা কেমন(বিশেষ করে বুড়িমারি )বিমানে গেলে ভালো নাকি বাসে এসব তথ্য আমাকে জনাবেন ।

উত্তর : খরচ কমাতে চাইলে বাসে গেলেই ভালো। রাস্তা খুব ভালো, তবে দীর্ঘ জার্নি, যা মেয়ে ও বুড়োদের জন্য সমস্যা হতে পারে। ইন্ডিয়ার ভিসা নিতে হবে শুধু, ট্রান্জিট ভিসা। ভুটানের ভিসা বর্ডার অথবা এয়ারপোর্ট থেকে নিতে হয়, পাসপোর্টে সিল মেরে দেবে, ওটাই ভিসা। ক্রেডিট কার্ড না থাকলে পাসপোর্টে ডলার এনডোর্স করতে হবে ব্যাংক থেকে, ইন্ডিয়ার ভিসার এ্যাপ্লিকেশনের জন্য। বুড়িমারি-চেংরাবান্ধা বর্ডার থেকে ডলার ভাঙ্গিয়ে রুপি করে নিতে পারবেন। ভুটানে ইন্ডিয়ান রুপি ওদের নিজস্ব মূদ্রার মতোই চলে, একই মান।

শ্যামলি-বিআরটিসির এসি বাস পাবেন বুড়িমারি পর্যন্ত। রাতে রওনা হলে সকালে গিয়ে পৌছাবেন। বুড়িমারি নিরাপদ। ওখানে সমস্যা হলো বাথরুম খুবই নোংরা। ঐদিনই ভারত-ভুটান সীমান্ত জয়গাঁও গিয়ে ভুটানে ঢুকে যেতে পারেন। ফুয়েনশলিং-এ থ্রি-স্টার মানের হোটেলও আছে। রাতটা ওখানে থেকে সকালে বাসে থিম্পুর উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

ভুটান ঘোরার জন্য ৩ দিনই আমার মনে হয় যথেস্ট। ৭ দিন থেকে কি করবেন? বাকি সময়টা বরং দার্জিলিং-কালিম্পং-এ কাটিয়ে আসতে পারেন।

ভুটান খুবই এক্সপেন্সিভ জায়গা। খরচের ব্যাপারে আসলে বলতে পারছিনা ডিটেইলস।

ভারত-ভুটান সীমান্ত শহর ফুয়েনশলিং, রাজধানী থিম্পু, সাবেক রাজধানী পুনাখা, এয়ারপোর্টের শহর পারো, এগুলোই হলো কমন বেড়াবার জায়গা। এগুলোর কোনটাই মিস করবেননা। বিশেষ করে পারো, পারোর পাহাড়ী সৌন্দর্য্য অতি মনোমুগ্ধকর

মরিশাস ভ্রমণের বিস্তারিত



অনেকে মরিশাস ভ্রমণের বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন। নীচে সংক্ষীপ্তভাব দেয়া হলো তা :

১. ঢাকা মরিশাস

দুটি উপায়ে যাওয়া যায়। এক জেট এয়ারে দিল্লি হয়ে মরিশাস। আরেকটি এয়ার এশিয়াতে কুয়ালালামপুর হয়ে। দুভাবেই যেতে সময় লাগবে কম বেশী ১০ ঘন্টা (ট্রানজিট সময় সহ)

আর বিমান ভাড়া প্রায় ৯৫০-১০০০ ডলার।

২. ভিসা

মরিশাসের ভিসা দুভাবে নেয়া যায়। দিল্লি থেকে বা কুয়ালালামপুর থেকে। তবে কুয়ালামপুর থেকে নিলে ভালো হয়। সেক্ষেত্রে কদিন মালয়েশিয়াও ঘুরতে পারবেন।

৩. হোটেল

আমি দুটো বাজেট হোটেলের নাম দিলাম :

- এল মোনাকো হোটেল, কোয়াট্রে বনস টাউন, মরিশাস

- Les9Muses Mauritius, ট্র অক্স বীচ, মরিশাস

উপরের দুটো হোটেলের ভাড়া প্রায় ৫০-৬০ ডলার পার নাইট (ব্রেকফাষ্ট সহ)

৪. যাতায়াত

পাবলিক বাস যাত্রা আরামদায়ক এবং সস্তা। ট্যাক্সি খুব এক্সপেনসিভ। মোটর বাইক এবং কার ভাড়া পাওয়া যায় যেগুলো মোটামুটি সস্তা।

৪. দাম দস্তুর

আগেই বলেছি মরিশাস মোটামুটি একটি য়বহুল দেশ। যেমন :

- ২৫০ মি:লী: পেপসি : প্রায় ৪৬ বাংলাদেশী টাকা।
- লাঞ্চ/ডিনার মোটামুটি মানের রেষ্টরেন্টে : প্রায় ৫০০-৭০০ বাংলাদেশী টাকা

৫. যা যা দেখবেন

মরিশাস গেলে দেখবেন তা হলো :

১. মারিয়ানা বীচ
২. লা মনরো বীচ
৩. ক্যাসেলা বার্ড পার্ক
৪. মরিশাস একোরিয়াম
৫. গ্রান্ড বেসিন
৬. মেরিন পার্ক
৭. সেন্ট্রাল মার্কেট
৮. ব্লু পেনি মিউজিয়াম্
৯. লিওন মাউন্টেইন
১০. গ্রান্ড পোর্ট